জেনে নিন কিভাবে আপনার স্ত্রীকে গর্ভবতী করবেন !!

যদি কেউ আল্লাহর ইচ্ছায় সন্তান নিতে চায় এবং সহবাসের
দ্বারা স্ত্রীর গর্ভে সন্তান জম্ম হোক কামনা করে, তাকে নিম্মোক্ত পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে।

* সহবাসের পর স্ত্রীকে জড়িয়ে ধরে কিছুক্ষণ চুপচাপ বুকের উপর নিজের ওজন স্ত্রীর
শরীরে না দিয়ে শুয়ে থাকবে। যেন নিজের বীর্য স্ত্রীর রেহেমের শেষ
প্রান্তে পৌঁছে যায় এবং পুরুষাঙ্গে সামান্যতম বীর্যও অবশিষ্ট না থাকে। এ বিষয়টিও
খেয়াল রাখতে হবে যে, স্ত্রীর গুপ্তস্থানে পুরুষাঙ্গ কম্পিত অবস্থায়
আছে কিনা? কোনো অবস্থায়তেই বাইরে বের করবে না । পুরুষাঙ্গ যখন
ঠান্ডা ও নিস্তেজ হয়ে যাবে কিছুক্ষণ পর বাইরে বের করে আনবে। এরপর সাথে সাথেই নরম
ও মোলায়েম নেকড়া দ্বারা পেঁচিয়ে রাখবে । কোনো অবস্থায়তেই যেন ঠান্ডা বাতাস না লাগে ।
কেননা ঠান্ডা বাতাস লাগার দ্বারা পুরুষাঙ্গের শিরা বা রগসমূহ
দুর্বল হয়ে যায় । কিছুক্ষণ পর যখন পুরুষাঙ্গ একেবারেই ঠান্ডা ও নরম
হয়ে যাবে তখন ধীরে ধীরে পেঁচানো নেকড়া দিয়ে তা পরিস্কার করবে ।

* সহবাসের পর স্ত্রীকে আধা ঘন্টা সময় চিত হয়ে শুয়ে থাকতে হবে,
কোনো নড়াচড়া করা যাবে না । নড়াচড়া করলে বীর্য রেহেমের বাইরে বের হয়ে আসার অধিক
সম্ভাবনা রয়েছে। এজন্য সে তাঁর দুই রান দ্বারা লজ্জাস্থানকে চেপে ধরে এমন
ভাবে শুয়ে থাকবে যেন, সামান্য বাতাসও ভিতরে যেতে না পারে। এভাবে বীর্য বাচ্ছাদানির
গভীরে পৌঁছে এবং নিজের স্থান নিয়ে নেয় । এ অবস্থায় ঘুমিয়ে পড়লে আরো ভালো।
* বাচ্ছাদানি এটি একটি উপুড় করা অঙ্গ । সুতরাং সহবাসের পর উঠ-বস বা নড়াচড়ায় বীর্য বের হয়ে যায়। এজন্য বাচ্ছা কামনা করলে, তাকে আলালহর উপর ভরসা করে চুপ
চাপ দুই রান চেপে ধরে সোজা হয়ে শুয়ে থাকতে হবে। নড়াচড়া না করার ফায়েদা হল,
আসলে বাচ্ছাদানিতে বীর্য প্রবেশের পরই তাঁর কার্যক্রম শুরু হয়ে যায়। এজন্য মহিলারা সে সময়
যেমন শান্ত থাকবে, সন্তানের অবস্থানও তেমন মজবুত ও স্থায়ী হবে।

নিয়মিত আপডেট পেতে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন